🎯যে সকল রাশি পরিমাপ করতে দুই বা ততোধিক মৌলিক রাশির প্রয়োজন হয়, তাদেরকে লব্ধ রাশি বলে।
যেমনঃ বেগ, ত্বরণ, বল ইত্যাদি।
[info id="myboxg"]🛈বিভিন্ন প্রকার মৌলিক রাশির যোগ-বিয়োগ-গুণ-ভাগ ইত্যাদি প্রক্রিয়ায় লব্ধ রাশিগুলো লাভ করা যায় বলে এদেরকে যৌগিক রাশিও বলা হয়।
যেমনঃ বল একটি লব্ধ রাশি বা যৌগিক রাশি।
[/info]
[info][error style="text-align:center;"]বল একটি লব্ধ রাশি[/error]
আমরা জানি,
বল= ভর x ত্বরণ
= ভরx সরণ / (সময় x সময়)।
[info id="myboxg" style="background:lightgray;border-color:white" ]▶️এখান থেকে বোঝা যায় যে, ভর, সরণ (দৈর্ঘ্য) ও সময় এই তিনটি মৌলিক রাশিকে গুণ ও ভাগ করে অবশেষে 'বল' রাশিটি পাওয়া গেছে। তাই, বল একটি লব্ধ রাশি।[/info][/info]
Nullam id dolor id nibh ultricies vehicula ut id elit. Cras justo odio, dapibus ac facilisis in, egestas eget quam. Donec id elit non mi porta gravida at eget metus.
Second Item Title
Nullam id dolor id nibh ultricies vehicula ut id elit. Cras justo odio, dapibus ac facilisis in, egestas eget quam. Donec id elit non mi porta gravida at eget metus.
Third Item Title
Nullam id dolor id nibh ultricies vehicula ut id elit. Cras justo odio, dapibus ac facilisis in, egestas eget quam. Donec id elit non mi porta gravida at eget metus.
আমরা সব সময়ই বিভিন্ন কিছুর পরিমান নির্ণয় করে থাকি । হতে পারে আমি বেশি লম্বা নাকি আমার দাদু বেশি লম্বা, আমাকে খাবার বেশি দিয়েছে নাকি আমার ভাইকে বেশি দেওয়া হয়েছে, আমাদের পড়ার টেবিলটি কতটুকু বড় ইত্যাদি।
আমরা যা কিছুই পরিমাপ করি না কেন তা অবশ্যই অন্য কিছুর সাথে তুলনা করি বা মিলিয়ে নেই। আর যার সাথে তুলনা করি তাই একক।
এখানে তোমার ভাইকে তোমার চেয়ে বেশি খাবার দেওয়া হয়েছে কিনা তা বুঝতে তোমাকে অবশ্যই তোমরা খাবারের সাথে মিলিয়ে নিতে হবে ।
[alert title="আরও কিছু বাস্তব উদাহরণ" id="myboxg"]মাঝে মাঝে আমরা আদের হাতের সাহায্যেও কিছু কিছু রাশির পরিমান নির্ণয় করি। যেমনঃ আমদের কারো টেবিলের দৈর্ঘ্য ৫ হাত কারো টেবিলের দৈর্ঘ্য ৬ হাত। এখানে দৈর্ঘ্য একটি রাশি ।আর টেবিলের দৈর্ঘ্য কতটুকু তা তোমরা কল্পনা করতে পারো এভাবে -“ টেবিলের দৈর্ঘ্য আমার হাতের চেয়েও ৫ বা ৬গুন বড় !! ”যেহেতু হাতের সাথে তুলনা করে আমরা দৈর্ঘ্যের পরিমান বুঝতে পেরেছি সেহেতু এখানে একক হবে হাত।
আবার মনে কর তোমার নাম ক। তোমার সাইকেলের ভর তোমার দ্বিগুন । লক্ষ্য কর এক্ষেত্রে তোমার সাথে তুলনা করা হয়েছে তাই এখানে তুমি নিজেই একক।অতএব সাইকেলের ভর হবে ২ক ।[/alert]
[success style="background:darkred" id="পদার্থবিজ্ঞানের ভাষায় একক"]পদার্থবিজ্ঞানের ভাষায় একক [/success]যে আদর্শ পরিমাপের সাথে তুলনা করে আমরারাশিগুলোর পরিমান নির্ণয় করতে পারি তাকে একক বলে।
আমরা দৈর্ঘ্যের নির্ণয় করতে পারি মিটার দ্বারা।
সময়ের পরিমান নির্ণয় করতে পারি সেকেন্ড দ্বারা।
সুতরাং মিটার এবং সেকেন্ড হলো একক।
[update title="আদর্শ একক" id="আদর্শ একক"]কোন কিছু পরিমাপের ক্ষেত্রে পৃথিবীর সবজায়গায় যেসব সর্বজনীন এককসমূহ ব্যবহার করা হয় , সেগুলোই আদর্শ একক।যেমনঃ- কেজি,মিটার/সেকেন্ড, ক্যান্ডেলা ইত্যাদি। [/update] [error title="আদর্শ একক কেন ব্যবহার করব" id="আদর্শ একক কেন ব্যবহার করব"]দৈনন্দিন জীবনে আমরা যদি আদর্শ একক ব্যবহার না করি তবে আমাাদের নানা রকম অসুবিধায় পড়তে হয়। মনে করো তোমার একটি অনলাইন স্টোর রয়েছে ।কেই একজন তার ছো্ট বচ্চার অর্ধেক ওজনের সবজি অর্ডার করল ।তখন তুমি কিভাবে পরিমাপ করবে 😕 কারন তোমার কাছে ঐ বাচ্চাটি নেই।এখন তোমার মনে হতে পারে তার বাচ্চার ওজন কত কেজি তা জেনে নিলেই তো হয় । কিন্তু লক্ষ্য করে দেখ লোকটি কিন্তু কেজিকে একক হিসেবে ব্যবহার করেনি । এখানে একক হলো তার বাচ্চাটি।তাই পরিমাপ করতে হলে তোমাকে ঐ বাচ্চাটিকে প্রয়োজন অথবা তার সমপরিমান কোন কিছুর প্রয়োজন।আবার যদি শুধু ছোট বাচ্চার কথা বলত তখনও কিন্তু চিন্তা করতে হতো যে কোন বাচ্চার সাথে তুলনা করবে ।কেননা একেক জনের ওজন তো একেক রকম।
এ রকম বিভিন্ন সমস্যা থেকে বাঁচতে আমরা কিছু জিনিসের পরিমানকে আদর্শ হিসেবে ধরে নিয়েছি।যেগুলোর সাথে তুলনা করে আমরা অন্যান্য বিষয়গুলো পরিমাপ করে থাকি।যেমন শূন্য মাধ্যমে এক সেকেন্ডের 299,792,458 ভাগের এক ভাগ সময়ে আলো যে দূরত্ব অতিক্রম করে তা হলো এক মিটার।পৃথিবীর যেখানেই যাই না কেন সব জায়গায় এক মিটার বলতেই এ পরিমানকে বোঝানো হবে।
এ সম্পর্কে প্রথম অধ্যায়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
[/error][warning id="এস.আই. মৌলিক এককসমূহ"]এস.আই. মৌলিক এককসমূহ[/warning]
এই ছবিটিই সাপেক্ষে অর্থ বোঝাতে সক্ষম। প্রথমজনের সাপেক্ষে নম্বরটি 6, ২য়জনের সাপেক্ষে নম্বরটি 9। কাউকেই ভুল বলার অবকাশ নেই। দুজনেই সঠিক।
সাপেক্ষে শব্দের অর্থ এক শব্দে বলতে হলে তা "পরিপ্রেক্ষিতে" বা "প্রেক্ষাপটে" বলা যায়। সাপেক্ষে শব্দটি আসলে নির্দিষ্ট ঘটনার বিভিন্ন সিদ্ধান্তকে বিভিন্ন দৃষ্টিকোণের ভিত্তিতে চিহ্নিত করতে ব্যবহৃত হয়।
[update title="উদাহরণ" icon="info-circle"] পৃথিবীর সাপেক্ষে সূর্যকে পৃথিবীর চারপাশে ঘূর্ণায়মান মনে হয়। কারণ, গতিতত্ত্ব মেনে,কোনো গতিশীল বস্তুর সাপেক্ষে নিজ ক্ষেত্রকে স্থির মনে হয়, একই সময়ে তার চারপাশের বস্তুকে গতিশীল মনে হয়। পৃথিবী তার অভ্যন্তরীণ সকল বস্তুকে নিয়ে ঘূ্ণায়মান। তাই পৃথিবীর ঘূর্ণনটা পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ সবকিছুর সাপেক্ষে স্থির মনে হচ্ছে। অর্থাৎ পৃথিবী —তার অভ্যন্তরীণ বস্তু বা মানুষের সাপেক্ষে স্থির
কিন্তু আদতে, পৃথিবী ঘূর্ণায়মান, সূর্যের সাপেক্ষে। সূর্যের দৃষ্টিকোণ বা অবস্থান থেকে দেখলে, পৃথিবী গতিশীল।একই সময়ে একই বস্তু দুই ধরণের অবস্থান থেকে পর্যবেক্ষণ করলে যদি ভিন্নতা পাওয়া যায়, তবে ঘটনাটি ব্যাখ্যা করতে সাপেক্ষে শব্দটি ব্যবহৃত হয়।
[/update][success title="সহজ কথায়" icon="check-circle"] সাপেক্ষে শব্দটি তুলনা করা অথবা অন্য কারো উপর নির্ভরশীল থাকাকে বোঝায়।যেমন : গাড়ীটি ট্রেনের সাপেক্ষে গতিশীল,, এখানে গাড়ির সাথে ট্রেনের গতির তুলনা করা হয়েছে।
অর্থাৎ একটি ব্যাক্তি বা বস্তু কে আদর্শ ধরে অন্য কোন ব্যাক্তি বা বস্তুর তুলনা করতে সাপেক্ষ শব্দটি ব্যাবহার করা হয়।
স্বাভাবিকভাবে যে যেখানে রয়েছে সেটিই তার অবস্থান ।যেমন - কারো অবস্থান মাটিতে ,কারো পানিতে ,কারো বাজারে ,কারো ঘরে, কারো মাঠে ইত্যাদি।কিন্তু পদার্থবিজ্ঞানে অবস্থানের আরো সুনির্দিষ্ট সংজ্ঞা রয়েছে।মনে করো তুমি ঘরে আছো বলে যে তোমার অবস্থান পুরো ঘর জুড়ে হবে তা নয়।কারন তুমি ঘরের কিছু অংশে রয়েছো ।আর সেটিই হবে তোমার অবস্থান।
[info title="" icon="info-circle"]
সুতরাং ভৌতজগতে যে যেখানে যতটুকু জায়গা জুড়ে রয়েছে সেটিই তার অবস্থান।
সাধারনত আমরা কোন নির্দিষ্ট কোন কিছু তথা প্রসঙ্গ বিন্দুরসাথে তুলনা করে কোন কিছুর অবস্থান ব্যাখ্যা করি।
অবস্থান ব্যাখ্যা করতে মান এবং দিক দুটোরই প্রয়োজন হয় তাই অবস্থান একটি ভেক্টর রাশি।
স্থিতি শব্দটি ব্যবহৃত হয় কোন কিছুর স্থির অবস্থা (Situation) নির্দেশ করার জন্য
গতি শব্দটি ব্যবহৃত হয় কোন কিছুর চলমান অবস্থা (Situation) নির্দেশ করার জন্য।
[error title="উদাহরন" id="mybox01"]যেমন একটি গাড়ির মধ্যে স্থিতি কাজ করছে বা বিরাজ করছে বলতে বোঝায় গাড়িটি এমন পরিস্থিতিতে ( অবস্থায় ) আছে যে এটি অবস্থান পরিবর্তন করতে পারছে না বা করছে না।আবার যদি বলা হয় গাড়িটির মধ্যে গতি কাজ করছে তবে আমরা বুঝতে পারি যে গাড়িটি এক মূহুর্তও নির্দিষ্ট অবস্থানে থাকতে পারছে না বা থাকছে না।
👉যদি কোন কিছু সময়ের সাথে তার অবস্থানের পরিবর্তন না করে তবে তার সে অবস্থাকে স্থিতি বলে।
👉এক কথায় স্থির বস্তুর অবস্থাকেই স্থিতি বলে।
👉যদি কোন কিছু সময়ের সাথে তার অবস্থানের পরিবর্তন করতে থাকে তবে তার সে অবস্থাকে গতি বলে।
👉এক কথায় চলমান বা গতিশীল বস্তুর অবস্থাকেই গতি বলে।
[/info]
[info title="যেভাবে বুঝতে পারি" id="myboxm"]
কোন বস্তুর মধ্যে গতি রয়েছে না কি স্থিতি রয়েছে তা আমরা তখনই বুঝতে পারি যখন ঐ বস্তুটিকে কোন প্রসঙ্গ বস্তুর অবস্থানের সাপেক্ষে মিলিয়ে নেই ।
যেমন লঞ্চে তোমার পাশে বসে থাকা বসে থাকা ব্যাক্তির সাপেক্ষে তুমি অবস্থান পরিবর্তন করছ না তখন তোমার মনে হবে তোমার মধ্যে স্থিতি কাজ করছে।কিন্তু নদীর পাড়ে দাঁড়িয়ে থাকা ব্যাক্তিটির সাপেক্ষে তুমি অবস্থান পরিবর্তন করছ ।তাই ঐ ব্যাক্তির সাপেক্ষে মনে হবে তোমার মধ্যে গতি কাজ করছে।
এই ভৌত জগতে যে বৈশিষ্টগুলো পরিমাপ যোগ্য তথা পরিমাপ করা যায় তাদেরকে রাশি বলে।যেমন- আমরা কোন কিছুর দৈর্ঘ্য মাপতে পারি। সেটা ১ মিটার হতে পারে বা ৫ কিলোমিটার হতে পারে । কাজেই দৈর্ঘ্য একটি রাশি ।
এই ভৌত জগতে কিছু কিছু রাশি রয়েছে যারা দুই বা ততোধিক মৌলিক রাশির সমন্বয়ে গঠিত।আর গুণ এবং ভাগের মাধ্যমে এসব মৌলিক রাশিগুলোর প্রতীক সমূহ উপযুক্ত সূচকসহ একসাথে প্রকাশ করা হলে তাকে মাত্রা বলা হয় ।
স্যার আইজ্যাক নিউটন (ইংরেজি: Sir Isaac Newton; ৪ জানুয়ারি ১৬৪৩ - ৩১ মার্চ ১৭২৭) প্রখ্যাত ইংরেজ পদার্থবিজ্ঞানী, গণিতবিদ, জ্যোতির্বিজ্ঞানী, প্রাকৃতিক দার্শনিক এবং আলকেমিস্ট।বলবিজ্ঞানেরভিত্তিভূমি রচনা করেছেন নিউটন।
রৈখিক এবং কৌণিক ভরবেগের সংরক্ষণ সূত্রের মাধ্যমে তিনি এই ভিত্তি রচনা করেন। ১৬৮৭ খ্রিস্টাব্দে তার বিশ্ব নন্দিত গ্রন্থ ফিলসফিয়া ন্যাচারালিস প্রিন্সিপিয়া ম্যাথামেটিকা প্রকাশিত হয় যাতে তিনি সর্বজনীন মহাকর্ষ এবং গতির তিনটি সূত্র বিধৃত করেছিলেন। এই সূত্র ও মৌল নীতিগুলোই চিরায়ত বলবিজ্ঞানের ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে, আর তার গবেষণার ফলে উদ্ভূত এই চিরায়ত বলবিজ্ঞান পরবর্তী তিন শতক জুড়ে বৈজ্ঞানিক চিন্তাধারার জগতে একক আধিপত্য করেছে।
আমাদের আশেপাশের অনেক বস্তুই আছে যেগুলো যেখানে আছে সবসময় সেখানে থাকে না ।সময়ের সাথে সাথে সেগুলো অবস্থানের পরিবর্তন করে ।আর এ পরিবর্তন যতক্ষন ঘটতে থাকে ততক্ষন সে গতিশীল হিসেবে বিবেচিত হয়। যে বস্তু সময়ের সাথে সাথে অবস্থানের পরিবর্তন করে তাকে গতিশীর বস্তু বলে । যেমনঃ চলন্ত মাছ, চলন্ত পিঁপড়া, ইত্যাদি।
গতি শব্দটি দ্বারা গতিশীল বস্তুর অবস্থা বোঝানো হয় ।মনে করি কোন বাসের গতি প্রতি সেকেন্ডে ১০মিটার এবং কোন সাইকেলের গতি সেকেন্ডে ১ মিটার ।এখানে বাস এবং সাইকেল উভয়ে গতিশীল কিন্তু কতটুকু গতিশীল অর্থ্যাৎ তাদের গতিশীলতার অবস্থা তথা পরিমান বোঝা যায় তাদের গতি থেকে।